বাংলাদেশ রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং এসোসিয়েশনের (রিহ্যাব) হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশে ৯ শতাধিক রিয়েল এস্টেট কোম্পানি রয়েছে। কিন্তু দেশের এতো এতো কোম্পানির মধ্যে একটি পরিপূর্ণ ও স্বয়ংসম্পুর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশসেরা রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের জায়গা করে নিতে যাচ্ছে উইকন প্রপার্টিজ। যাদের এক প্রতিষ্ঠানেই রিয়েল এস্টেটের সব কিছু। আর্কিটেকচারাল ডিজাইন থেকে শুরু করে রড, সিমেন্ট, কংক্রিট, রেডিমিক্স, যাবতীয় কনস্ট্রাকশন ম্যাটেরিয়ালের সবকিছুই আছে উইকনের ইনহাউজে। ‘ডিজাইন বিল্ড ম্যাটেরিয়াল’ এই স্লোগানে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই সর্বোচ্চ এবং পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই আবাসন শিল্পে যাত্রা উইকনের। আধুনিক নির্মানে বিশ^মানের ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করে অর্ধশতাধিক দক্ষ ও চৌকস প্রকৌশলী ও স্থপতিদের সমন্বয়ে গঠিত টিম অতি দ্রুত সময়ে সর্বাধুনিক বিশ^মানের বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মানে সক্ষমতা অর্জন করেছে।
যেসব কারনে সবার চেয়ে আলাদা ‘উইকন প্রপার্টিজ’
২০১৩ সালে পরিকল্পনা থেকে পরিপূর্ণতার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো পিটুপি। ৭ বছর ধরে দীর্ঘ প্রস্তুতি নিয়েই ২০১৯ সালে স্বয়ংসম্পুর্ণভাবে শুরু হয় উইকনের যাত্রা। দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। বর্তমানে চট্টগ্রামকে আরও আধুনিক মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে পরিকল্পিত নগরায়ন করা হচ্ছে। এসব কারনেই চট্টগ্রামের মানুষের জীবন যাত্রায় এসেছে পরিবর্তন এবং পরিকল্পিতভাবে নির্মিত আধুনিক আবাসনের চাহিদা বেড়েছে। চট্টগ্রামের মতো একটি স্মার্ট সিটিতে আধুনিক এবং নান্দনিক স্থাপত্যশেলীর আবাসন নির্মান এবং দ্রুত সময়ে ঝামেলাহীনভাবে গ্রাহকের হাতে তুলে দিতেই উইকন প্রপার্টিজ যাত্রা শুরু করে। উইকন এক ছাদের নিচে নিয়ে এসেছে প্ল্যানিং ডিজাইন, ফার্স্ট কনস্ট্রাকশন এন্ড ফিনিশিং ম্যাটেরিয়ালস, ইনহাউজ আর্কিটেক্ট কনস্ট্রাকশন টিম, ইন্টেরিয়র সলিওশনসহ আবাসন শিল্পের যাবতীয় সব। উইকন মানেই রিয়েল স্টেট সেক্টরে স্বয়ংসম্পুর্ণ প্লাটফর্ম।
নিজস্ব ডিজাইন টিম থাকায় আমরা দিতে পারছি অ্যামেইজিং ফ্লোর লে-আউট। সর্বোত্তম উপায়ে ডিজাইন করার কারনে থাকছেনা কোন হিডেন স্কয়ারফিট।
উইকন প্রপার্টিজের ৬টি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট রয়েছে- যা অন্যদের থেকে উইকনকে আলাদা করেছে। বৈশিষ্টসমূহ হলো-
উইকনের আছে আন্তর্জাতিক মানের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টিমঃ
উইকন প্রপার্টিজের এই টিম একটি প্রকল্প পরিকল্পনা থেকে পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে প্রতিটি বিভাগের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে। প্রকল্প গ্রহন, প্রকল্পের উপযোগিতা, পারিপাশির্^ক পরিবেশ পরিস্থিতি, আর্থিক পরিকল্পনা থেকে সব কিছুই সমন্বয় করে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টিম।
পরিকল্পনাকে পরিপূর্ণতায় রূপ দিতে উইকনের আছে ৩০+ স্থপতি এবং ৫০+ প্রকৌশলীর এক বিশাল টিমঃ
একটি আধুনিক স্মার্ট সিটিতে মানসম্পন্ন আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর নির্মানের জন্য দক্ষ স্থপতি ও প্রকৌশলী টিম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আবাসন শিল্পে বড় স্থপতি এবং প্রকৌশলীর টিম রয়েছে উইকন প্রপার্টিজে। যারা একটি প্রকল্পের ডিজাইন থেকে শুরু করে পরিপূর্ণ নির্মান পর্যন্ত সমন্বিতভাবে কাজ করে, ফলে একটি আধুনিক প্রকল্প দ্রুত সময়ে নির্মান সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়।
উইকনের আছে ইনহাউজ কনস্ট্রাকশন এন্ড ফিনিশিং ম্যাটেরিয়ালসঃ
একটি বহুতল আবাসন প্রকল্প নির্মানের জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবকিছুই রয়েছে উইকনের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে। রড, সিমেন্ট, রেডিমিক্স, টাইলস থেকে শুরু করে যাবতীয় বিল্ড ম্যাটেরিয়ালস রয়েছে উইকনের ইনহাউজ। রয়েছে নির্মানশিল্পে ব্যবহৃত বিশ^মানের আধুনিক সব ইকুইপমেন্ট। ফলে কোন ইকুইপমেন্ট বা বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালসের জন্য পরনির্ভরশীলতা না থাকায় উইকন অতিদ্রুত সময়ে যে কোন বড় প্রকল্প নির্মানে সক্ষম। এতে প্রকল্পের ফ্ল্যাট বা বাণিজ্যিক স্পেস গ্রাহকদের কাছে অনটাইম হস্তান্তর করতে সক্ষম হয়।
উইকনের আবাসিক বা বাণিজ্যিক প্রকল্পসমূহে কোন হিডেন স্কয়ার ফিট নেইঃ
রিয়েল এস্টেট শিল্পে ফ্ল্যাট বা বাণিজ্যিক স্পেস বিক্রি হয় স্কয়ার ফিট হিসেবে। কয়েকহাজার স্কয়ারফিটের কোন স্পেস ৫০/১০০ ফিট হিডেন করা গেলে গ্রাহক বড় অংকের ক্ষতির শিকার হন কিন্তু গ্রাহক তা বুঝতে পারেন। অনেক সময় গ্রাহক কাগজে কলমে যত স্কয়ারফিট ফ্ল্যাট কিনলেন বাস্তবে ততটা থাকে না। কিন্তু উইকন প্রপার্টিজের প্রকল্প সমূহে কোন ধরনের হিডেন স্কয়ারফিট থাকে না। গ্রাহকবান্ধক পরিকল্পিত ফ্লোর লে-আউটের কারনে গ্রাহক যত স্কয়ারফিট স্পেস কিনেন ঠিক তত স্কয়ারফিটই যথাযথভাবে বুঝে নিতে পারেন। এর ফলে গ্রাহকরাই শতভাগ লাভবান হন।
অ্যামেইজিং ফ্লোর লে-আউট, নো হিডেন স্কয়ারফিটঃ
নিজস্ব ডিজাইন টিম থাকায় আমরা দিতে পারছি অ্যামেইজিং ফ্লোর লে-আউট। সর্বোত্তম উপায়ে ডিজাইন করার কারনে থাকছেনা কোন হিডেন স্কয়ারফিট।
উইকনের রয়েছে ইনহাউজ লিগ্যাল এবং ফাইনান্সিয়াল সাপোর্টঃ
অনেকে ফ্ল্যাট কিনতে চান কিন্তু শতভাগ অর্থনৈতিক সামর্থ তার থাকে না। কিন্তু উইকন থেকে কেউ ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহী হলে উইকন গ্রাহককে ইনহাউজ ফাইনান্সিয়াল সাপোর্ট দিতে সক্ষম। কোন গ্রাহক উকনের উপর আস্থা রাখলে উইকনও সহজ ঋন সুবিধায় আর্থিক সাপোর্ট দিয়ে গ্রাহকের পাশে থাকে। এছাড়া আবাসন শিল্পে ফ্ল্যাট কেনা কিংবা জয়েন্টভেঞ্চারে কোন প্রকল্প নির্মানে নানা আইনগত বিষয়াদি সম্পৃক্ত থাকে। এসব বিষয় সমাধানের জন্য এবং গ্রাহককে দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য উইকনের রয়েছে ইনহাউজ লিগ্যাল ইউনিট। যারা আইনি সহায়তা দিতে গ্রাহকের পাশে থাকে, ফলে গ্রাহক থাকেন নির্ঝঞ্ঝাট, নিশ্চিন্ত।
সব মিলিয়ে দেশের আবাসন শিল্পে ‘উইকন প্রপার্টিজ’ একটি পরিপূর্ণ ও স্বয়ংসম্পুর্ণ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান। একটি স্বপ্নের আবাসনের জন্য গ্রাহকরা নির্ভাবনায় আস্থা রাখতে পারেন উইকন প্রপার্টিজের উপর।