খুব ভোরে ঘুম থেকে চোখ খুলেই যদি নিজেকে আবিষ্কার করা যায় প্রকৃতির সবুজে মিশে থাকা এক টুকরো আধুনিকতায়, তখন দিনটাই শুরু হয় একরাশ ভালোলাগা নিয়ে। আপনজনদের সাথে সুখ-দুঃখে দিন কাটাতে এর চাইতে বেশি আর কী লাগে?
তেমনই এক স্বপ্ন শুরু করার গল্প নিয়ে উইকন প্রোপার্টিজ হাজির হয়েছিলো ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (ICCB)-তে আয়োজিত CEMS-Global-এর বিশাল রিয়েল এস্টেট মেলায়। ১৩ থেকে ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে উইকন অংশ নিয়েছিলো শুধু সুন্দর আবাসনই নয়, ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রার সবটুকু নতুনত্ব খুঁজে বের করার সুযোগ নিয়ে।
ICCB-তে শুরু হওয়া এই মেগা এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি ছিল বাংলাদেশের আবাসন ও অবকাঠামো শিল্পের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। সকাল ১১:০০টায় প্রধান অতিথি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মো. নজরুল ইসলামের আগমনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
আয়োজক ও আমন্ত্রিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দের মধ্যে থাকা CEMS-Global-এর প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহরুন এন. ইসলাম, সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (SREDA)-এর চেয়ারম্যান মুফফাজ্জর আহমেদ, রাজউক-এর সদস্য (এস্টেট ও ল্যান্ড) শেখ মতিয়ার রহমান, এবং হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (HBRI)-এর মহাপরিচালক ড. ইঞ্জি. গিয়াসউদ্দিন হায়দার—পর্যায়ক্রমে বক্তব্য রাখেন। তাঁদের মূল্যবান বক্তব্যে আবাসন, নির্মাণ, শক্তি ও পানি ব্যবস্থাপনার নতুন উদ্ভাবন ও অগ্রগতির দিকগুলো তুলে ধরা হয়। সবশেষে, ফিতা কাটার মাধ্যমে এক্সপোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এরপর সম্মানিত অতিথিবৃন্দ এক্সিবিশন পরিদর্শনে যান।
উইকন-এর প্যাভিলিয়ন: আভিজাত্য আর গ্রাহক সন্তুষ্টির কেন্দ্র
ICCB-এর রাজদর্শন হলের C-43A প্যাভিলিয়নটা উইকন প্রোপার্টিজ এমন সুন্দর করে সাজিয়েছিলো যে, এখানে যারাই পা রেখেছে তাদেরই মন ভালো হয়ে গিয়েছে। নান্দনিক আর আরামদায়ক আসবাবে মোড়ানো উইকনের প্যাভিলিয়ন আসলে শুধু একটি স্টল নয়, এটি প্রতিটি গ্রাহকের আস্থার সাথে ভবিষ্যৎ স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি।
উইকনের প্যাভিলিয়নে এলে গ্রাহকরা দেখেছেন প্রতিষ্ঠানের প্রিমিয়াম প্রজেক্টগুলোর সব ডিটেইলস, স্পেশাল অফার, আর উইকন-এর এক্সপার্ট টিমের সাথে সরাসরি ওয়ান-টু-ওয়ান পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ। তাছাড়া মেলার দ্বিতীয় দিন উইকন প্রোপার্টিজ-এর স্টলে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তারিক আনাম খান-এর উপস্থিতি আরও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিলো। তৃতীয় দিনেও শীর্ষস্থানীয় এই ব্র্যান্ডকে নিয়ে, তাদের করা প্রজেক্ট, স্পেস ম্যানেজমেন্ট, প্রজেক্ট ডেলিভারি ডিটেইলস প্রসেস নিয়ে মানুষের সীমাহীন কৌতুহল। মোট ৩ দিনের এই ফেয়ারে মানুষের উপস্থিতি ও পুরো সময়ের এক্সপেরিয়েন্স উইকন-এর ঢাকায় অবস্থান এবং আরও বেশি বেশি ভালো প্রজেক্টে কাজ করার ব্যপারে উৎসাহ দিয়েছে।
নিরাপত্তার নিশ্চয়তা: উইকন-এর পাশে আছে দেশের সর্বোচ্চ মহল
উইকন প্রোপার্টিজ বিশ্বাস করে, গ্রাহকের বিনিয়োগে কোনো ঝুঁকি থাকা উচিত নয়। আর তাই, রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)-এর সদস্য এবং হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (HBRI)-এর মহাপরিচালকের মতো উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে উইকনের কাজ এবং নির্মাণ মান কতটা সুপরিকল্পিত ও নিয়মনীতি মেনে করা হয়। রাজউক বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং HBRI নির্মাণ প্রযুক্তিতে উৎকর্ষ নিশ্চিত করে। উইকন এই সব মানদণ্ড অনুসরণ করে বলে গ্রাহকের ভরসা থাকে অটুট।
কেমন লোকেশন নিয়ে কাজ করে উইকন?
খোলামেলা, প্রাকৃতিক সবুজে নিজেদের প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করে। আলো-হাওয়ার অবাধ চলাচল, বাক্স বন্দী শহরে মনখুলে আকাশ দেখার সুযোগ যেন পাওয়া যায় সেই চিন্তা উইকন সবসময়ই মাথায় রাখে। প্রজেক্টের আশেপাশেই যেন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার, সেরা ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটি ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকে, এমন সুপরিকল্পিত লোকেশন বাছাই করে ক্লায়েন্টের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করে তারা। উইকন ফ্লোর লে আউট ডিজাইনে নান্দনিকতার পাশাপাশি একইরকম গুরুত্ব দেয় বাসার মানুষদের প্রাইভেসির দিকে। ফলে, ঘরে অতিথি আসলেও ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখা যায় সহজেই।
উইকনের নিখুঁত নির্মাণ কৌশল
উইকন প্রোপার্টিজ শুধু বাক্সবন্দী জীবন তৈরি করে না, দেয় জীবন কাটানোর নিরাপদ আবাস। যেখানে আপনার সময় কাটবে আসেপাশের সবার সাথে, হাসি-আনন্দে।
একারণেই উইকনের মূলমন্ত্র হলো No Hidden Square Feet। এই নীতির কারণে উইকন সবসময় বেস্ট ফ্লোর লে আউট প্ল্যান করে যেখানে মূল স্পেসের সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়। সেকারণেই উইকনের প্রতিটি প্রজেক্ট হয় নিখুঁত এবং নান্দনিক। উইকন তাদের প্রজেক্টে সেরা মানের নির্মাণ সামগ্রী ও আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি ব্যবহার করে। তাদের তৈরি প্রতিটা প্রজেক্টের সিঁড়িঘর থেকে লিফট—সবখানেই পাওয়া যায় লাক্সারিয়াস ভাইব। এবং তারা কিন্তু তাদের দেয়া কথা অনুযায়ী অন টাইম প্রজেক্ট হ্যান্ডওভার করে। এমন সেরা সব সুবিধা পাওয়ায় উইকন-এর সাথে গ্রাহকদের জীবনও কাটে নিশ্চিন্তে।
ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট: উইকন-এর অংশীদারিত্বের হাতছানি
২৪তম রিয়েল এস্টেট এক্সপো-এর মাধ্যমে উইকন প্রোপার্টিজ ঢাকায় প্রথমবারের মতো কোনো রিয়েল এস্টেট ফেয়ারে অংশ নিয়েছে। এখানে অংশ নেয়ার মাধ্যমে উইকন জানাতে চেয়েছে, বাসভবন নিয়ে মানুষের প্রবলেম সলভ করাই তাদের লক্ষ্য। আর তাই এবার ঢাকার মানুষদের সমাধান দিতে উইকন সুনির্দিষ্টভাবে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, আফতাবনগর এবং উত্তরা-এর মতো সেরা লোকেশনে জমি খুঁজছে। যাদের এই এলাকাগুলোতে জমি আছে, তাদের জন্য উইকন নিয়ে এসেছে এক্সক্লুসিভ জয়েন্ট ভেঞ্চার পার্টনারশিপের সুযোগ। ইতোমধ্যে উইকন ঢাকার জলসিঁড়ি আবাসনে ‘উইকন দক্ষিণায়ণ’-এ তাদের প্রথম ল্যান্ডমার্ক ডেভেলপমেন্ট চুক্তির গ্রাউন্ডব্রেকিং করেছে, যা এই অঞ্চলে তাদের বৃহৎ পরিকল্পনার সূচনা। এছাড়াও জলসিঁড়ি আবাসনে আরও কিছু প্রজেক্টের কাজ তারা খুন দ্রুত শুরু করতে যাচ্ছে।
উইকন বিশ্বাস করে, ভূমি মালিক শুধু তাঁর মূল্যবান জমি দেবেন। আর সেই জমিকে সর্বোচ্চ মূল্যের সম্পদে পরিণত করার সব দায়িত্ব উইকন প্রোপার্টিজ নিজে সামলে নেবে। মালিকের জমি আর উইকনের দক্ষতা-এই দুইয়ের মিলনে গড়ে তুলবে আগামী দিনের আভিজাত্যপূর্ণ কাঙ্ক্ষিত সব ল্যান্ডমার্ক।
তাই, এই মেলায় উইকন একটি বার্তাই দিয়েছে, যারা প্রিমিয়াম লোকেশনে থাকা নিজেদের ল্যান্ডকে সুরক্ষিত, লাভজনক এবং সুপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পে রূপান্তর করতে চান, তাদের জন্য উইকন প্রোপার্টিজ লিমিটেড একটি আদর্শ অংশীদার। আপনার হাসি-আনন্দে দিন কাটানোর নিরাপদ আবাস তৈরি করতে উইকন সব সময় আপনার পাশে আছে।
একজন ল্যান্ডওনার হিসেবে উইকন টিমের সাথে সরাসরি কথা বলতে
কল করুন: ০৯৬ ৬৬৭ ৯৩২৬৬


